Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts

ইন্টারনেট ডট অর্গ এখন ফ্রিবেসিকস

সারা পৃথিবীতে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা পৌছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে ফেসবুকের  ইন্টারনেট ডট অর্গ যাত্রা শুরু করে। আর তারই ধারাবাহিকতায় এবার আরো ভালোভাবে সাজানো হয়েছে ফ্রি ইন্টারনেটের ওয়েবসাইটটিকে। এখন ইন্টারনেট ডট অর্গ নয় ফ্রিবেসিকস ডট কম নামে চলছে ফেসবুকের এই কার্যক্রম। শুধুমাত্র নাম পরিবর্তনেই থেমে থাকেনি তারা। নাম ছাড়াও তাদের সেবার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এনেছে ফ্রিবেসিকস। আগের সাইট গুলোর সাথে নতুন ভাবে আরো ১২ টি ওয়েবসাইট যুক্ত হয়েছে এখানে। এরমধ্যে বিশ্বের ১ নম্বর সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবং বিবিসি নিউজ ও রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে bd24live.com, Dictionary.com, iLearn, Money Matters, Smart Business, Smart Woman, কৃষি বিষয়ক Tambero.com, Thesaurus, World Reader এবং আর নয় ম্যালেরিয়া।

নতুন সাইট গুলো ব্যবহার করতে হলে ওয়েবসাইটের নিচে আরো পরিসেবা যুক্ত করুন আর অ্যাপসে অপশন (তিনটি ডট দেয়া বাটন) থেকে আরো পরিসেবা যুক্ত করুন এ ক্লিক করতে হবে। আর পছন্দমত ওয়েবসাইট মূলপাতায় যুক্ত করে ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে নতুন যে সেবা গুলো যুক্ত করা হয়েছে তা দিনে একবারের বেশি ব্যবহার করা যাবেনা। আর এছাড়া আর তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি ফ্রিবেসিকস এ।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে শুধুমাত্র রবি সিম ব্যবহারকারীরাই এই সুবিধা পাবেন।

Read More »

জেনে নিন গুগল সম্পর্কে ১০ টি মজার তথ্য

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মাত্রই গুগলের সঙ্গে পরিচিত। সার্চ, মেইল, বিজ্ঞাপন, ক্লাউডসহ নানা ধরনের সেবা দিচ্ছে গুগল। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মাউনটেইন ভিউ শহরে অবস্থিত গুগলের কার্যালয়। মানুষের কাছে তথ্য সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
গুগল একসঙ্গে এত বিষয় নিয়ে কাজ করে যে সবকিছুর হিসাব রাখাই কঠিন। সম্প্রতি প্রশ্নোত্তরবিষয়ক ওয়েবসাইট কোরাতে প্রশ্ন করা হয়, গুগলের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক কাজগুলো কী? কোরা ব্যবহারকারীরা এই প্রশ্নের মজার মজার উত্তর দিয়েছেন। ব্যবসা ও প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট বিজনেস ইনসাইডার এর মধ্যে আকর্ষণীয় ১০টি বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
১. গুগলে যখন কোনো বিষয় সার্চ দেওয়া হয়, তখন আমরা খুব দ্রুত ফল দেখতে পাই। কিন্তু মজার বিষয় এই ফল দেখানোর আগে গুগল কমপক্ষে ২০০টি বিষয় বিবেচনা করে, তবেই তা প্রদর্শন করে।
২. গুগল ও গুগলের নামের আশপাশে থাকা অনেক ডোমেইন কিনে রেখেছে গুগল। গুগল লিখতে ভুল হলেও যে ডোমেইন নামগুলো পাওয়া যায়, তারও মালিক গুগল। যেমন গুওগল ডটকম, গগল ডটকম, গুগলার ডটকম প্রভৃতি। গুগল এমনকি ৪৬৬৪৫৩ ডোমেইনটিও নিয়ে রেখেছে।
৩. গুগলে প্রতি সেকেন্ডে ২০ লাখেরও বেশি সার্চ হয়।
৪. বিশ্বে লাখ লাখ মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম এমন কিছু ‘আজব’ প্রকল্প নিয়ে মাঠে নামে গুগল। যেমন গুগলের ‘লুন’ নামের একটি প্রকল্প। ইন্টারনেট সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় বেলুনের সাহায্যে ইন্টারনেট সম্প্রসারণের একটি প্রকল্প। এ ছাড়া ক্ষুদ্রজনগোষ্ঠীর কাজে লাগে এমন প্রকল্প নিয়েও কাজ করতে দেখা যায় গুগলকে। যেমন ২০১২ সালে জি-মেইলে শেরকি ভাষা সুবিধা যুক্ত করে গুগল।
৫. ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন মিলে ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসে প্রথম ডুডল তৈরি করেন। ‘তাঁরা অফিসের বাইরে আছেন এবং এ সময় কারিগরি কোনো ত্রুটির সমাধান করা যাবে না’—এই বার্তা ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রথম ডুডলটি তৈরি হয়।
৬. গুগলের সার্চ ইনডেক্সের আকার ১০ কোটি গিগাবাইটেরও বেশি। কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে এই তথ্য জমা রাখতে চান, তবে তাঁর এক টেরাবাইট আকারের এক লাখ হার্ডড্রাইভের দরকার হবে।
৭. গুগল একমাত্র প্রতিষ্ঠান যে তার সার্চপেজে যত দ্রুত সম্ভব ফল প্রদর্শন করে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে কম সময় ধরে রাখতে চায়।
৮. স্ট্রিট ভিউ ম্যাপের জন্য গুগল এখন পর্যন্ত ৫০ লাখ মাইল রাস্তার ছবি তুলেছে।
৯. শুধু এ বছর গুগল ২৪টি প্রতিষ্ঠানকে কিনে নিয়েছে। অর্থাত্ প্রতি মাসে গড়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান কিনেছে গুগল।
১০. গুগলের ভিডিও সেবা ইউটিউবে প্রতি মাসে ৬০০ কোটি ঘণ্টারও বেশি ভিডিও দেখা হয় । অর্থা যা বিশ্বের প্রত্যেক মানুষের মাসে এক ঘণ্টা করে ভিডিও দেখার মতো।

Read More »

এমন ১০টি ইউআরএল যা প্রতিটি গুগল ব্যবহারকারীর জানা দরকার

আপনি একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী বা স্মার্টফোন ব্যবহারকারী হলে নিশ্চয়ই আপনি নেট ব্যবহার করে থাকেন। আর ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন কিন্তু গুগল এবং গুগলের সেবাগুলোর সাথে পরিচিত নন তাতো আর হতে পারেনা। আর অনেকেই এমন আছেন যারা গুগল ছাড়া কিছু বোঝেনও না। আর আপনিও যদি হয়ে থাকেন একজন গুগলের ডাইহার্ড ফ্যান তবে আপনার জন্য আজ নিয়ে এলাম ১০টি এমন ইউআরএল যা আপনার কাজে আসবেই আসবে! চলুন তাহলে, শুরু করা যাক।
১। আপনি গুগল ক্রোম ব্যবহার করার সময় যে সকল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন সেগুলো গুগল সংরক্ষণ করে রাখে। সেই পাসওয়ার্ড এবং ইউজার নেমগুলো আপনি চাইলেই গুগল থেকে সহজেই পেয়ে যাবেন। এর জন্য আপনাকে যেতে হবে http://passwords.google.com ইউআরএলটিতে।
২। আপনি যে সকল সাইটগুলোতে ভিজিট করে থাকেন সেই সাইটগুলোর উপর ভিত্তি করে আপনার একটি প্রোফাইল তৈরি করে থাকে। সেই প্রোফাইল এবং আপনার গুগল প্লাসের প্রোফাইলের উপত ভিত্তি করে গুগল আপনার বয়স, জেন্ডার, ইন্টারেস্ট সমূহ ইত্যাদি সংরক্ষণ করে রাখে সেই প্রোফাইলটিতে। আপনার প্রোফাইলটি দেখতে ভিজিট করতে পারেন https://www.google.com/ads/preferences ঠিকানায়।
৩। আপনি চাইলেই গুগল ইকোসিস্টেম থেকে আপনার সমস্ত তথ্য এক্সপোর্ট করতে পারবেন, গুগল এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। আপনি খুব সহজেই আপনার গুগল ফটোস, কনট্যাক্ট, জিমেইল এমনকি আপনার ইউটিউবের ভিডিও (যদি থাকে) ফাইলগুলো পর্যন্ত আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে যেতে হবে https://www.google.com/takeout ঠিকানাটিতে।
৪। আপনার নিজস্ব কনটেন্ট যদি আপনি অন্য কোন সাইটে দেখে থাকেন তবে আপনি খুব সহজেই DMCA কমপ্লেইন করতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে যেতে হবে
https://support.google.com/legal
ঠিকানাটিতে।
৫। আপনি কি জানেন আপনি যেখানেই যান আপনার ডিভাইসটির মাধ্যমে গুগল আপনার লোকেশন সংগ্রহ করে? কথাটি সত্য না মিথ্যা জানতে ভিজিট করুন https://maps.google.com/locationhistory ইউআরএলটি।
৬। নির্ধারিত গুগল অ্যাকাউন্ট করার সময় আপনার অ্যাকাউন্টে ইউজার নেমের শেষে @gmail.com ব্যবহারিত হয়। তবে আপনি যদি
https://accounts.google.com/SignUpWithoutGmail ইউআরএলটি থেকে অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করতে চান তাহলে গুগল ছাড়াই আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটি ক্রিয়েট করতে পারবেন।
৭। গুগল এবং ইউটিউবে আপনি যে সার্চ টার্মই ব্যবহার করেন না কেন সেগুলো গুগল এবং ইউটিউব সংরক্ষণ করে রাখে। এছাড়াও কোন ওয়েবসাইটে যদি আপনি গুগলের অ্যাডগুলোতে ক্লিক করে থাকেন তবে সেই লগও গুগল সংরক্ষণ করে রাখে। তাই কি কি করেছেন যদি দেখতে চান তবে নিচের ইউআরএলগুলো কাজে আসবে।
https://history.google.com
https://history.google.com/history/audio
https://www.youtube.com/feed/history
৮। গুগলের টার্মস এবং কন্ডিশন অনুযায়ী আপনি যদি আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে প্রতি ৯ মাসে একবার করে লগইন না করে থাকেন তবে আপনার অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলা হবে। এটি মূলত সমস্যা করে তাদের যাদের একের অধিক জিমেইল অ্যাকাউন্ট আছে। আপনারও যদি এরকম থাকে তবে আপনার প্রাইমারী মেইল অ্যাকাউন্টটিকে সেকন্ডারি মেইল অ্যাকাউন্টগুলোর ট্রাস্টেড কনট্যাক্ট হিসেবে যুক্ত করতে পারেন। ফলে, গুগল আপনার প্রাইমারী অ্যাকাউন্টে রিমাইন্ডার পাঠাতে থাকবে।
https://www.google.com/settings/account/inactive
৯। আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে কেউ ঢুকছে কিনা সে বিষয়ে চিন্তিত? আপনি কিন্তু খুব সহজেই
https://security.google.com/settings/security/activity ইউআরএলটির সাহায্যে আপনার অ্যাকতিভিটি লগ চেক করতে পারেন যেখানে কোন কোন ডিভাইস থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করা হয়েছিল এবং কোন কোন আইপি ব্যবহার করেছিল ফোনগুলো সেই তথ্য আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন।
১০। আপনি এ পর্যন্ত কোন কোন অ্যাপলিকেশনগুলোকে আপনার আক্যাউন্টে পারমিশন দিয়েছিলেন মনে নেই? https://security.google.com/settings/security/permissions এই ইউআরএলটি খুব সহজেই আপনাকে মনে করিয়ে দিতে সক্ষম।

সূত্রঃ প্রিয় টেক

Read More »

যেভাবে আপনার অজান্তেই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন দ্বারা ফাঁস হয়ে যাচ্ছে আপনার গোপন সব তথ্য!

মোবাইল ফোনের ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে অন্যের হাতে। কীভাবে দূর থেকেই মোবাইল ফোনের তথ্য হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে? নিরাপত্তা সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফি জানিয়েছে, মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন বিশ্বজুড়েই সাইবার হামলার লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে এবং মোবাইল গ্রাহকের তথ্য বিশেষ করে স্মার্টফোনে ব্যবহৃত ব্যাক্তিগত তথ্য ছবি  নাম-পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে মানুষ প্রতিনিয়ত ইন্টারনেটের উপর ভরসা করছে। যার ফলে সকলেই ফেসবুক, টুইটার, ভাইবার, ইমু, স্কাইপি সহ হাজার  হাজার মোবাইল অ্যাপ্লিক্যাশন ব্যবহার করছে। যা ব্যবহারকারীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে একদম হাতে মুঠোয় এনে দিয়েছে। কিন্তু এই সকল মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করায়, সামান্য ভূলের জন্য ব্যবহার কারীর গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। যা অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন জার্মানীর একদল গবেষক।
আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন স্মার্টফোনে যেকোন এনরোয়েড এপস  ইনস্টল করার সময় এপস কোম্পানি আপনাকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য যেমন ফোনবুক, ম্যাসেজ, কল রেকর্ড, ভয়েস রেকর্ড, ক্যামেরা সহ ভিন্ন ভিন্ন ব্যাক্তিগত এপ্লিকেশানে একসেস চায়। প্রয়োজনের তাগিদে এসব ব্যাক্তিগত ইনফরমেশানে আমরাই তাদের একসেস দিয়ে রাখছি। মুলত এভাবেই আপনার ব্যাক্তিগত সব তথ্য চলে যাচ্ছে ডেভলপার কোম্পানীর হাতে ।
এছাড়াও প্রযুক্তি বিষয়ক একদল গবেষক জানান, এসব সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সকল তথ্য অনলাইনে থেকে যায়। যা হ্যাকার দ্বারা বা সফটওয়্যার কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রতিনিয়তই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।
জার্মানীর ঐ গবেষকগণ আরো জানান, অনলাইনে প্রায় ৫৬ মিলিয়নেরও বেশি নিরাপত্তাহীন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। যার মধ্যে ম্যাসেঞ্জার, গেমস, মেডিকেল অ্যাপস, ব্যাংক অ্যাপস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসকল অ্যাপস অসাবধানতাবশত ব্যবহারের ফলে যেসকল গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যেতে পারে তা হল:
১.গোপন ইউজার নেম (যা দিয়ে ইউজার লগইন করে)
২.লগইন পাসওয়ার্ড
৩.গোপন ইমেইল
৪.পার্সোনাল তথ্য
৫.এড্রেস
৬.ডোর কোড
৭.লোকেশন ডাটা
৮.মোবাইল আইপি
৯.ব্যাংক একাউন্ট
১০.ক্রেডিট কার্ড নাম্বার ইত্যাদি।
ঐ গবেষক দলের ভাষ্য মতে, এরকম ঝুঁকি থেকে মুক্তি পেতে নিচের নিয়ম অনুসরণ করা উচিৎঃ
১.অনলাইন থেকে ফ্রি সফটওয়্যার ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকা।
২.ফেসবুক, স্কাইপি, ভাইবার সহ এজাতীয় চ্যাটিং সফটওয়্যারে চ্যাট করার পর চ্যাট হিস্টোরি ডিলেট করে ফেলা।
৩.যেকোনো সফটওয়্যার শুধু মাত্র অফিসিয়াল সাইট থেকে ডাউনলোড করা।
৪.অনলাইনে পার্সোনাল তথ্য না দেয়া।
৫.যেকোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার পর সাথে সাথে ব্রাউজিং হিস্টোরি ডিলেট করে ফেলা।
স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীদের সতর্কতার জন্য এমন আরও একটি প্রয়োজনীয় ফিচার
সম্প্রতি ম্যাকাফি ল্যাব কর্তৃপক্ষ ‘ম্যাকাফি ল্যাবস থ্রেটস রিপোর্ট: ফেব্রুয়ারি ২০১৫’ নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নির্মাতারা সিকিউর সকেটস লেয়ার (এসএসএল) দুর্বলতার জন্য প্যাচ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় লাখ লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম (সিইআরটি) ক্ষতিকর ও নিরাপত্তা দুর্বলতাযুক্ত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের একটি তালিকা প্রকাশ করে। ওই তালিকায় থাকা জনপ্রিয় ২৫টি অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে বিশেষ পরীক্ষা চালিয়েছে ম্যাকাফি ল্যাবস। এই পরীক্ষার সময় দেখা গেছে, এখন পর্যন্ত ১৮টি অ্যাপ্লিকেশনে কোনো প্যাচ যুক্ত করা হয়নি, যদিও এসব অ্যাপ্লিকেশন নিরাপদ বলে দাবি করা হয়। এই গ্রুপে যেসব অ্যাপ বেশি ডাউনলোড করা হয়, সেগুলোর মধ্যে মোবাইলে ছবি সম্পাদনার অ্যাপই বেশি। এই অ্যাপগুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও ক্লাউডে ছবি শেয়ার করার সুবিধা দেওয়ার কথা বলে।
ম্যাকাফির গবেষকেরা জানিয়েছেন, ম্যান-ইন-দ্য-মিডল (এমআইটিএম) আক্রমণ চালিয়ে তথাকথিত এসএসএল নিরাপত্তা সুবিধার এই অ্যাপগুলো কাজে লাগিয়ে মোবাইল ফোন থেকে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়। ক্রিপটোগ্রাফি বা কম্পিউটার নিরাপত্তার দিক থেকে ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণ চালাতে আক্রমণকারীকে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারি করা বা তার যোগাযোগের চ্যানেল পরিবর্তন করে দেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হয়। ব্যবহারকারীর অজান্তেই এ ধরনের আক্রমণ করে তার ফোনে আলাদা সংযোগ করে দেওয়া হয় এবং কথোপকথনকারীর বার্তা পরস্পরকে সম্প্রচার করে শোনানো হয়। এসময় ব্যবহারকারীকে তাদের কথোপকথন ব্যক্তিগত চ্যানেলে হচ্ছে এটা বোঝানো হলেও এই কথোপকথন নিয়ন্ত্রণ করে আক্রমণকারী। যদিও এ ধরনের মোবাইল অ্যাপসের নিরাপত্তা ভেঙে ফেলার কোনো প্রমাণ নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ম্যাকাফির গবেষকেরা জানিয়েছেন, অ্যাপ নির্মাতারা এসএসএল নিরাপত্তার কোনো প্যাচ না রাখায় লাখ লাখ ব্যবহারকারী এমআইটিএম আক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছেন।
ম্যাকাফির গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, শুধু এমআইটিএম আক্রমণ নয়, মোবাইল ফোনে পোটেনশিয়ালি আনওয়ান্টেড প্রোগ্রামস (পিইউপিএস) মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠছে। এই পিইউপিএস বা অনাকাঙ্ক্ষিত প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অজান্তেই মোবাইল ফোন থেকে সব তথ্য সংগ্রহ লুট করে নেওয়া সম্ভব।
গত বছরের শেষ প্রান্তিক অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর এই তিন মাসে মোবাইলে ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রামের সংখ্যা ১৪ শতাংশ বেড়েছে। এশিয়া আর আফ্রিকা অঞ্চলে এই ম্যালওয়্যার আক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি
Read More »